চিম্বুকে ম্রো’দের জমিতে হোটেল নির্মাণ বন্ধের দাবি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : বান্দরবান শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক-থানচি রোডে ম্রাে সম্প্রদায়ের জমি দখল করে ‘ম্যারিয়ট হোটেল এন্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্ক’ নামে ৫ তারকা হোটেল নির্মাণের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন। হোটেলটি যে স্থানে নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখানে ম্রাে আদিবাসীদের বসবাস। হোটেলের বাস্তবায়নে কাজ করবে শিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আর আর হোল্ডিংস এবং বাংলাদেশ আর্মির ৬৯নং ব্রিগেডের ২৪নং ডিভিশন। ইন্টারন্যাশনাল চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস কমিশন (সিএইচটিসি) এই হোটেল নির্মাণ বন্ধের দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল ও সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, চিম্বুক পাহাড়ে পাঁচতারা হোটেল ও পর্যটনকেন্দ্রের নির্মাণ কাজের ফলে সেখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়বে, তাদের জীবনযাত্রা ব্যাহত হবে। এর আগেও আমরা পর্যটনের নামে পাহাড়ী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জমি দখল হতে দেখেছি। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এই ধরনের তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে এই নির্মাণ কাজ বন্ধের দাবি জানাচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, পর্যটনের নামে জমি দখলের উন্নয়ন নয় বরং ওই অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রাথমিক স্কুল মাধ্যমিক স্কুলসহ অনান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অত্যাবশকীয়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন ব্যতীত শুধুমাত্র হোটেল তৈরির উদ্যোগ জমি দখল ও ভূমিপুত্র ম্রো সম্প্রদায়কে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র বলেই মনে করে ছাত্র ইউনিয়ন। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জমি দখলের তৎপরতায় যে বিশৃঙ্খলা ও জানমালের ক্ষতিসাধন হবে তার দায়ভার সরকারকেই বহন করতে হবে বলেও বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে। যুব ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাফিজ আদনান রিয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুমের বিবৃতিতেও চিম্বুক পাহাড়ে ম্রো সম্প্রদায়ের জমি দখল করে পাঁচতারা হোটেল নির্মাণ বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..