স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের শহীদদের স্বপ্ন অর্জিত হয়নি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

শহীদ নূর হোসেন-সৈয়দ আমিনুল হুদা টিটো দিবসে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন অবসানের ডাকে রাজধানীতে বাম জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ
একতা প্রতিবেদক : এরশাদ স্বৈারাচারবিরোধী সংগ্রামে ১৯৮৭ সালে ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন, সৈয়দ আমিনুল হুদা টিটো, নুরুল হুদা বাবুলসহ নাম না জানা শহীদদের স্মরণে আয়োজিত সমাবেশে বাম জোটের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের শহীদরা যে স্বপ্নকে সামনে রেখে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন সেই স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। ১০ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমাবেশে নেতারা এ কথা বলেছেন। জোট সমন্বয়ক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বাসদ(মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মানস নন্দী, ইউসিএল’র সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আব্দুস সাত্তার, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টির শহীদুল ইসলাম সবুজ ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান লিপন সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, এরশাদ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন, সৈয়দ আমিনুল হুদা টিটো, নুরুল হুদা বাবুল, ডা. মিলন, কমরেড তাজুল, ময়েজউদ্দিন, রাউফুন বসনিয়া, সেলিম, দেলোয়ার, দিপালী সাহা, শাহজাহান সিরাজসহ অসংখ্য শহীদ স্বৈরাচারের হাতে বন্দি গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে আত্মদান করেছেন। নূর হোসেন বুকে-পিঠে স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক শ্লোগান লিখে জীবন দিয়েছিলেন। অনেক শহীদের মৃতদেহ স্বৈরাচার এরশাদ গুম করে দিয়েছিল। অসংখ্য মানুষের আত্মদান, পঙ্গুত্ববরণ, জেলজীবনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু যারা ৯০’র গণঅভুত্থানের পর ক্ষমতাসীন হয়েছে সেই আওয়ামী লীগ-বিএনপি এবং তাদের জোট মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের আকাংখাকে পদদলিত করেছে। তারা নব্য স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশে কর্তৃত্ববাদী, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চাপিয়ে দিয়েছে। সমাজ, রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতন্ত্রায়ণের পরিবর্তে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা গত ১২ বছর ধরে ভোট ব্যবস্থাকে হাস্যকর করে ফেলেছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..