করোনাকালে জীবন জীবিকা বাঁচাতে লড়াই গড়ে তোলা সময়ের দাবি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন : গত কয়েকমাস মাস ধরে সারা পৃথিবী করোনা মহাবিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। বাংলাদেশে ৮ আগস্ট পর্যন্ত ২,৫৫,১১৩ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। ৩,৩৬৫ জন মৃত্যুবরণ করেছে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে আরো দ্বিগুণ সংখ্যক মানুষ। সারা পৃথিবীতে ১,৯৫,৬৭, ৫৮০ জন সনাক্ত ও ৭,২৪,৪৯৮ জন মৃত্যুবরণ করেছে। আমাদের প্রতিবেশী ভারতে ২০,৯১,৪১৬ জন সনাক্ত ও ৪২, ৬১৭ জন মৃত্যুবরণ করেছে। আক্রান্ত ও সনাক্তের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সনাক্তদের তুলনায় আক্রান্তদের সংখ্যা অনেক বেশি। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক দাবি করেছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে পৃথিবীতে প্রায় সাত লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা করোনার সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন। কিন্তু আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে, সুপরামর্শ ও তদারকিতে আমরা করোনা ভাইরাস সঠিকভাবে সফলতার সাথে মোকাবিলা করেছি। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রশংসা পেয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবির সাথে দেশের করোনা মোকাবিলার বাস্তব পরিস্থিতির কোন মিল নেই। শুরু থেকেই এ বিষয়ে সরকারের দিক থেকে এক ধরণের নিস্পৃহতা পরিলক্ষিত হয়েছে। বিদেশ থেকে আগতদের সঙ্গনিরোধ বা আইসোলেশানের ব্যবস্থা না করে দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। ষোল কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রচুর নমুনা পরীক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা। দেশের চৌষট্টি জেলার সবকটিতে নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাব তৈরি এবং দেশের প্রতিটি উপজেলায় নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতিদিন ন্যূনতম পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লাখ পরীক্ষার বন্দোবস্ত করার দাবি সরকার কর্তৃক উপেক্ষিত থেকে গেছে। প্রতিদিন পরীক্ষা হচ্ছে এগারো-বারো হাজার। সংক্রামিতদের সংস্পর্শে আসাদের চিহ্নিত করে নমুনা পরীক্ষার বিষয়টি সুদূরপরাহত। সরকার ‘কম পরীক্ষা কম আক্রান্ত’-নীতি গ্রহণ করে সরকারী ব্যবস্থাপনায় করোনা পীরক্ষার ক্ষেত্রেও ফি ধার্য্য করেছে। যা আর্থিকভাবে দুর্বল হতদরিদ্র মানুষকে করোনা পরীক্ষা বিমুখ করেছে। কার্যকর করোনা সংক্রমন সচেতনতা সৃষ্টি করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। শহরের শ্রমজীবী মানুষ ও গ্রামের মানুষের মাঝে করোনা সংক্রমণরোধী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে মারাত্মক শিথিলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জীবিকার প্রয়োজনে এরা স্বাস্থ্য ঝুঁকি গ্রহণ করতে দ্বিধা করছে না। সিপিবি ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষ থেকে দেশের আড়াই কোটি অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রতিমাসে আড়াই হাজার টাকা করে করোনাকালে প্রতিমাসে নগদ সহায়তা প্রদানের দাবি জানানো হয়েছিল। জতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) করোনা মহাবিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ অর্থাৎ সাড়ে ছয় কোটি মানুষকে প্রতি মাসে ন্যূনতম পঁচিশ মার্কিন ডলার বা দুই হাজার একশত টাকা নগদ সহায়তা হিসাবে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। সরকার গত রোজার ঈদের আগে পঞ্চাশ লাখ দরিদ্র মানুষকে আড়াই হাজার করে টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। সুবিধাভোগীদের নাম তালিকাভুক্তি করণের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ, দুর্নীতি বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। রোজার ঈদের আগে পাওয়ার কথা থাকলেও কুরবানীর ঈদ চলে গেলেও অনেকে এখনও সেই টাকা পায়নি। করোনা মহাবিপর্যয়কালে গত এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত একশ জনের উপর চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এটা একটা রেকর্ড। মাস্ক, পিপিইসহ সুরক্ষা সামগ্রীতে ভয়াবহ দুর্নীতির ফল ভোগ করতে হচ্ছে চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসা কর্মীসহ দেশের জনগণকে। নকল মাস্ক সরবরাহকারী জেএমআই ও আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এখনও নেয়া হয় নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জ্ঞাতসারে ভূয়া করোনা টেস্ট রিপোর্ট দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সাহেদের রিজেন্ট হাসপাতাল ছয় হাজার পাঁচশ এবং জেকেজি পনের হাজার আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলো শুরুতে করোনা মহামারী মোকাবিলায় এগিয়ে আসেনি। এখন তারা চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত বিলের মাধ্যমে মানুষকে সর্বস্বান্ত করছে। দেশের জনগণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভঙ্গুরতা এবং করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দায়ি মনে করে। মানুষের আকাংখা ছিল সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করবে এবং স্বাস্থ্য সচিব ও মহাপরিচালককে দুর্নীতির দায়ে অপসারন ও বিচারের সম্মুখীন করবে। কিন্তু সরকার সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজ স্বাস্থ্য সচিবকে প্রমোশন দিয়ে সিনিয়র সচিব হিসেবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বদলী করে পুরস্কৃত করেছে। অভিযুক্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অপসারন না করে পদত্যাগ কবার সুযোগ করে দিয়েছে। আমলাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ৩০ ডিসেম্বর মধ্যরাতের ভোট ডাকাতির নির্বাচনে পুনরায় ক্ষমতায় অধিষ্ঠ সরকার জনগণের পক্ষ না নিয়ে গণবিরোধী দুর্নীতিবাজ আমলাদের পক্ষ নিয়েছে। করোনা মহাবিপর্যয়ে মানুষ অসহনীয় স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে লুটেরা ধনিক শ্রেণীর সরকার রাষ্ট্রীয় পঁচিশটি পাটকল বন্ধ করে দিয়ে পঞ্চাশ হাজার শ্রমিককে জীবিকাহীন করে দিয়েছে। লাখ লাখ পাটচাষীকে অনিশ্চয়তা ও ব্যক্তিমালিকানাধীন পাটকল মালিকদের নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছে। শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদসহ শ্রমিক সংগঠনগুলো হিসেব দিয়ে দেখিয়েছে মাত্র বারো’শ কোটি টাকা খরচ করে পাটকলগুলো আধুনিকায়ন করা সম্ভব। কিন্তু ধনিক শ্রেণীর সরকার রাষ্ট্রীয় কারখানাগুলো বিরাষ্ট্রীয়করণ করে তার পঁচিশ হাজার কোটি টাকার সম্পদ দলীয় লোকদের মালিকানায় দিতে চায় বলে পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ করে শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক এর নামে ছাঁটাই করতে দ্বিধা করছে না। সরকারের ভুল নীতি, মন্ত্রণালয় ও বিজিএমসি’র দুর্নীতির ফল ভোগ করতে হচ্ছে শ্রমিক ও দেশবাসীকে। শ্রমিকদের মজুরি দেয়ার জন্য সরকারি প্রণোদনা নেয়ার পরও প্রায় ছাব্বিশ হাজারের বেশি গার্মেন্ট শ্রমিক ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক, বীমা, প্রাইভেট হাসপাতাল, পরিবহন, হোটেলসহ নানা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত থেকেও লাখ লাখ মানুষ কাজ হারিয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বিদেশ থেকেও কয়েক লাখ প্রবাসী শ্রমিক কাজ হারিয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেছে। ফলে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। করোনার এই দুর্যোগের মধ্যেই বন্যার ভয়াবহতা বাড়ছে। বাংলাদেশে বন্যা হয় প্রাকৃতিক কারণে কিন্তু বন্যার দুর্ভোগ বাড়ে রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনা, ভুল নীতি, দুর্নীতি লুটপাটের কারণে। উত্তরের জনপদে বন্যার পানিতে মানুষ, ফসল, গৃহপালিত প্রাণী ভাসছে কিন্তু সরকারের দৃশ্যমান কোন ত্রাণ তৎপরতা চোখে পড়ছে না। কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহার হত্যা, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড নিয়ে অনেক সত্য উন্মোচন করছে। এর আগে নারায়ণগঞ্জে র্যাব কর্মকর্তার নির্দেশে সাত খুুন জানান দিয়েছিল আইনের রক্ষাকর্তারা কিভাবে ব্যক্তিস্বার্থে ও অর্থের বিনিময়ে গুম ও খুনের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। সংবাদে পত্রে প্রকাশ ২০১৮ সালে ৪৬৬ জনকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। সিনহা হত্যার একজন অন্যতম অভিযুক্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ টেকনাফ থানায় কার্যকালে ১৬১ টি ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটে যাতে ২০০ জন খুন হয়। রাশেদ সিনহা হত্যাকান্ডের পর সেনা ও পুলিশ প্রধানের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ প্রধান ক্রসফায়ারকে এনজিওদের শব্দ বলেছেন। তিনি একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেছেন। ব্যক্তিকে দায়ী করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় কাদের সুপারিশে প্রদীপকে পুলিশের সাহসিকতার পদকে ভুষিত করা হয়েছিল। ব্যক্তি, ক্ষমতা, পেশা বা পরিচিতি নিরপেক্ষভাবে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। একদিকে করোনার কালো থাবায় মানুষের জীবন বিপর্যস্ত অন্যদিকে সরকারের গণবিরোধী অবস্থান মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। করোনা, বন্যা, দুর্নীতিকে ছাপিয়ে আর একটি দিক প্রধান হয়ে উঠেছে সরকারের দমন পীড়ন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে, ত্রাণ চুরির বিরুদ্ধে কথা বললে, পাট কল বন্ধের প্রতিবাদ করলে, পত্রিকায় এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করলেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দমন পীড়ন নেমে আসছে। সাংবাদিক কাজলসহ অনেকেই এখনো কারাগারে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ন্যূনতম রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও সরকার প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। করোনা মহাবিপর্যয় থেকে মানুষকে বাঁচানোর বিষয়ে সরকারের নিস্পৃহতা, গণবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সিপিবি ও বাম গনতান্ত্রিক জোট রাজপথে সোচ্চার। সারা দেশে সিপিবি ও অন্যান্য বাম দলগুলো তাদের সীমিত সামর্থ্য নিয়ে কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। যেই গুরুত্ব ও মমতা নিয়ে এ দুর্যোগকালে মানুষের পাশে ক্ষমতাসীনদের থাকার কথা ছিল তার বিপরীতে তাদের অনুপস্থিতি মানুষ কাছে প্রকটভাবে ধরা দিয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে তাদের ব্যর্থতা ও অথর্বতা এ সরকারের ক্ষমতায় থাকার যোগ্যতার বিষয়টিকে পুনরায় প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সিপিবি ও বাম গণতান্ত্রিক জোট মনে করে করোনা মোকাবেলায় মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, আইইডিসিআরসহ বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতা ও সীমাহীন ব্যর্থতা দায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও অপরাপর কর্মকর্তাদের অবিলম্বে অপসারণ ও বিচারের আওতায় আনা দরকার। স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা লুটপাটের মূলৎপাটনের জন্য সিস্টেম ও ব্যবস্থা পাল্টানো জরুরি। করোনায় প্রমাণ হয়েছে পুঁজিবাদী মুনাফার সমাজ এই ভাইরাস মোকাবেলায় ব্যর্থ। কিউবা, ভিয়েতনাম, কেরালা দেখিয়েছে কীভাবে বিপর্যয়ের সময় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ২০২০ সাল আমাদের জীবন ওলটপালট করে দিয়েছে। আমাদের জীবনে বয়ে এনেছে ভয়ংকর যন্ত্রণা ও মৃত্যু। পরিস্থিতি আমাদের সামনে চারপাশের মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপদ জীবনযাপনের অবস্থাটিকে তুলে ধরেছে। এটি দেখিয়ে দিয়েছে যে জীবনের কী ধরনের বিপদজনক ঝুঁকি নিয়ে আমরা আজ চলছি। আমরা বিপন্ন হয়ে দেখতে পাচ্ছি ধরিত্রী ও মানুষের মধ্যে ভারসাম্য আজ কতোটা সংকটপূর্ণ অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা আর এই ঝুঁকি বহন করতে পারি না। করোনা মহামারীর আগের পৃথিবীতে যা হয়েছে এবং যেরকম ছিল আমরা আবার সেখানে ফিরে যেতে পারিনা। আমাদেরকে একটি করোনামুক্ত স্বাস্থ্যসম্মত সবুজ পৃথিবী গড়ার জন্য নিবেদিত হতে হবে। শোভন জীবনের জন্য 'মুনাফালোভী ও পরিবেশ দূষণের অর্থনীতি' পরিবর্তন করে 'স্বচ্ছ কল্যাণমুখী অর্থনীতিতে' ফিরতে হবে। করোনা থেকে বাঁচতে নিজস্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি ও করোনাকালে মানুষ বাঁচানোর প্রশ্নে নিস্পৃহ ও মানুষের জীবনকে আরো দুর্বিষহ করার গণবিরোধী সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার হওয়া আজ সময়ের দাবি।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..