শ্রমিকের অধিকারসমূহ আন্দোলনে পথেই আদায় করতে হবে

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০.৩০টায় অশি^নী কুমার হলে শ্রমিক সমাবেশ এবং নগরির প্রধান প্রধান সড়কে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলা কমিটির সহ-সভাপতি দুলাল মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রমিকনেতা রাজেকুজ্জামান রতন, বাসদ বরিশাল জেলা আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুমন, সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের শহীদুল ইসলাম, বাবুল তালুকদার, মিজানুর রহমান, হানিফ মৃধা, জাহাঙ্গীর মাঝি, জাকির হোসেন, মহসীন মীর, মানিক হাওলাদার, কালাম, মোকলেস, সোহেল, বাশার, রফিক প্রমুখ। শ্রমিক সমাবেশে কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, স্বাধীনতার ৪৯ বছরে এসে দেশের উন্নয়নের নানা বয়ান প্রতিদিন প্রচারিত হচ্ছে অথচ এই উন্নয়ন আর অগ্রগতির নিয়ামক শক্তি শ্রমিক–তাদের ন্যায্য মজুরি এখনও নিশ্চিত হয়নি। ১০২টি প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পখাতের অন্তত ৬২টিতে ঘোষিত মজুরি কাঠামো নেই। রপ্তানি আয়ের প্রধান খাতের গার্মেন্টস শ্রমিরা ন্যূনত মজুরি ১৮ হাজার টাকা দাবি করছে দাবির অর্ধেক বেতনও তাদের দেয়া হয়নি। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে মজুরির কোন ন্যূনতম নীতিও নেই। শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক শ্রম আইনের দাবি উপেক্ষিত। যতটুকু আইন আছে তারও কার্যকারিতা নেই। শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতির জন্য নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র তাও প্রদান করা হয় না। কাজ করতে এসে প্রতিবছর হাজার হাজার শ্রমিক মৃত্যুবরণ করে কিন্তু তাদের কর্মক্ষেত্রে জীবনের নিরাপত্তা নেই, কর্মক্ষেত্রে নিহত-আহত হলে আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা আর পুনর্বাসনের দাবি উপেক্ষিত। শ্রমিকরা দেশের শিল্প বা কারখানা বাঁচিয়ে রাখতে সংগ্রাম করে জীবন দিচ্ছে; তারা তাদের সকল জীবনীশক্তি ক্ষয় করে উৎপানের চাকাকে সচল রাখছে, উন্নয়নের গতিকে ধরে রাখছে কিন্তু তারা মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারছেনা। সমাবেশ শেষে একটা লাল পতাকার সুসজ্জিত র্যালি নগরীর বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..