কীটনাশকে আলুর ক্ষতি হওয়ায় দিশেহারা কৃষক

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
জয়পুরহাট সংবাদদাতা : জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে আলুর পচন রক্ষার্থে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করে প্রতারিত হয়েছেন শতাধিক কৃষক। আলু ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কৃষকদের অভিযোগ স্থানীয় ডিলার ও কোম্পানির প্রতিনিধির প্রতারণার কারণেই তারা আলু ক্ষেত নিয়ে এমন সমস্যায় পড়েছেন। তবে কোম্পানি প্রতিনিধি বলছেন, ডিলার ও কৃষকদের ভুলেই এমন ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। উত্তরের সীমান্তঘেঁষা কৃষি নির্ভর জেলা জয়পুরহাট। এখানে মোট কৃষি জমির প্রায় ৪০ ভাগ জমিতেই আলু চাষ করেন কৃষকরা। এ বছরও অনেকটা ধার দেনা করে লাভের আশায় আলু লাগিয়েছেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মাটির ঘর এলাকার কৃষ্ণনগর মধ্যপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষকরা। আলুর গাছও ভাল হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই আলু গাছে রোগ দেখা দেওয়ায় স্থানীয় কীটনাশক ডিলারের পরামর্শে এবং তারই কাছ থেকে ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেডের সিল ব্যবহৃত বায়োডার্মা কীটনাশক কিনে তা প্রয়োগ করেন। কৃষ্ণনগর মধ্যপাড়া গ্রামের মাটির ঘর এলাকার কৃষক জাহিদুল ইসলাম, জাকারিয়া হোসেন, রফিকুল ইসলাম, ইমাম হোসেন, আজিজুল ইসলামসহ অনেক কৃষক জানান, কীটনাশক স্প্রে করার দুই/তিন দিন পর থেকেই আলুর পাতায় পচন ও গাছ শুকিয়ে মরতে শুরু করে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ১১০ বিঘা জমির আলু গাছে পচন ধরায় তারা পথে বসেছেন। তবে এখনো তারা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পাননি। সম্প্রতি কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে নষ্ট হয়ে যাওয়া আলুর ক্ষেত পরিদর্শনে এসে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকিম মণ্ডল জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় কৃষি বিভাগকে বলা হয়েছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..