অরাজক পরিস্থিতির দায় সরকারকে নিতে হবে

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা প্রতিবেদক : বাম গণতান্ত্রিক জোট আহূত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজে চরম অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিতে ধর্ষক-নিপীড়করা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ধর্ষক-নিপীড়কদের উপযুক্ত শাস্তি না হওয়ায়, দেশে ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। গার্মেন্ট কর্মী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কেউই এখন আর নিরাপদ নন। দিন দিন দেশে এক অরাজক পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করছে। নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজের এই অরাজক পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে। ক্রমবর্ধমান ধর্ষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাম গণতান্ত্রিক জোটের উদ্যোগে ৯ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জোটের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক সাজ্জাদ জহির চন্দনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য লক্ষ্মী চক্রবর্তী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য বহ্নি শিখা জামালী, বাসদ নেতা শম্পা বসু, বাসদ (মার্কসবাদী)’র নেতা নাঈমা খালেদ মনিকা। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার এক নজিরবিহীন ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। সেই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট না দেয়ার অপরাধে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে গণধর্ষণের মধ্য দিয়ে সরকার দলীয় কর্মীরা প্রতিশোধ নিয়েছিল। দেশে সেই ধারাই অব্যাহত আছে। বক্তারা আরও বলেন, সোহাগী জাহান তনুসহ বহু চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ, গণধর্ষণ, ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী শুধু গত বছরে দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৭০৩ জন। আমাদের পশ্চাৎপদ সমাজে এ ধরনের প্রকাশিত সংবাদের বাইরেও অনেক ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনা ঘটে থাকে। নেতৃবৃন্দ বলেন, বিচারহীনতাই অব্যাহত ধর্ষণ-নিপীড়নের জন্য দায়ী। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান ব্যবস্থা, সরকার ধর্ষক-নিপীড়কদের রক্ষা করে চলেছে। সারাদেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হলেও অসংখ্য ধর্ষক-নিপীড়ক বিচারের আওতায় আসছে না। অসংখ্য ঘটনা চাপা পড়ে যাচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন, ধর্ষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। একইসাথে সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিচারহীনতার অন্ধকার ঘোচাতে চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা বদলাতে হবে। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।
প্রথম পাতা
করোনা প্রসঙ্গ: দেশ-দুনিয়াকে বদলাতে হবে
‘বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প বলয় গড়ে তোলার কাজে তার অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে’
করোনাকালের অর্থনীতি, করোনাত্তোর অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও আগামী বাজেটে অগ্রাধিকার খাত কি হওয়া উচিৎ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা
বাণিজ্যিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বদল ঘটিয়ে ‘গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে হবে
কোভিডের চিকিৎসা নিয়ে কোনোরকম ব্যবসা চলবে না
‘জাতীয় দুর্যোগ’ ঘোষণা করে চিকিৎসার সকল দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে
সরকার মানুষকে অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে
প্রতিদিনকার কোভিড মোকাবেলার মাঝে অর্থনীতির চাকা সচল করতে চীনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টাঃ উদ্যোগ ও সাফল্য

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..